খুবই যুক্তিসঙ্গত কথা। কী দরকার? আসলে প্রশ্নটা বোধহয় ঠিকমত হলনা, কারণ আমরা সবাই জানি, জাহান্নামে পুড়ে মরার হাত থেকে বাচার জন্য ধর্ম পালন করতে হবে। ছোটবেলা থেকে টেক্সটবুক এ অথবা বাবা মায়ের থেকে যা জেনেছি তার সুবাদে ধর্ম নিয়ে এর বাইরে কিছু ভাবার যোগ্যতা আমার হয়নি। আবার পাশাপাশি এটাও শুনে এসেছি, আল্লাহ নাকি খুব দয়ালু। যেই আল্লাহ এবং রাসুল কে সত্য বলে জানবে সেই বেহেশতে যাবে।
well, সব তর্কই এভাবে শুরু হয়- সবাই প্রমাণ করার চেষ্টা করে, তোমরা যা ভাবছ আল্লাহ আসলে অত দয়ালু না। তোমরা যদি ১০০% ধর্ম না মান তাহলে কোনভাবেই মাফ পাবে না। তারপর শিরক, বিদআত ইত্যাদি ইত্যাদি আরো বিভিন্ন বিষয় উপস্থাপন করে বোঝানোর চেষ্টা করে এই সব ক্ষমার অযোগ্য অপরাধগুলি তোমার মধ্যে বিদ্যমান, অতএব পরিত্রাণ পেতে ধার্মিক না হয়ে তোমার উপায় নেই।
পুরো তর্কটা abstract থেকে আরো abstract হয়ে যায়। একটা যুক্তিজ্ঞানসম্পন্ন মানুষকে জুজুর ভয় দেখিয়ে কি তার পুরো lifestyle বদলে ফেলা সম্ভব? সে ত জানতে চাইতেই পারে, একজন পরোপকারি ভাল মানুষের সাথে একজন ধার্মিক মানুষের পার্থক্যটা কী? একজন সুস্থ বিবেকসম্পন্ন মানুষ বেশির ভাগ সময়ই অনেক বেশি মুক্ত বুদ্ধির অধিকারী হয়, পক্ষান্তরে, ধর্মের সাথে মুক্ত চিন্তা, স্বাধীনতার কেমন যেন একটা আড়ি আড়ি ভাব। কেমন যেন একটু ষাঁড় ষাঁড় ভাব তাদের মধ্যে। একটু বেশি কিছু বললেই ঢুস!
গতকাল রনি তার এক বন্ধুর সাথে তর্ক করছিল, সিলেবাস থেকে ধর্ম বিষয়টা বাদ দিয়ে দেয়া নিয়ে, আমার খুব একটা ভাল লাগেনি। ফাইভ সিক্স এ সালাম স্যার এর স্কেলের বাড়ি না খেলে এতদিনেও বোধহয় দুআ কুনুত শিখে উঠতে পারতাম না। ও তখন আমাকে বলল, এই যে এতগুলি বছর ইসলামিয়াত বই পড়ে আসলা, কেউ কোথাও লিখসে আমাদের ধর্মটা যে এত সুন্দর?
তাই ত! কত কষ্টে, জীবনের বিভিন্ন চড়াই উতরাই পার হতে ঘুমের ওষুধ, ডেল কার্ণেগী থেকে শুরু করে মেডিটেশন, সাইকোলজিকাল কাউন্সেলিং ইত্যাদি ইত্যাদি স...ব পদ্ধতি প্রয়োগ করে হোচট খেয়ে শেষ পর্যন্ত ধর্মের আশ্রয় নিয়েছি। কই! কেউ ত কোনদিন বলেনি, আল্লাহ নামে তোমার একজন best friend আছে। তাকে তুমি যাই জিজ্ঞাসা করবা সে তারই উত্তর দিবে। in fact, সব উত্তর already দেয়াই আছে। ইকটু কষ্ট করে হাদিস এর দুইটা বই পড়ে ফেল.... দেখবা কোথাও না কোথাও তোমার সমস্যার সমাধান দেয়া আছেই।
যাই হোক, প্রশ্নটা ছিল, ধর্ম নিয়ে মাথা ঘামানোর দরকার কী? আরো সহজ করে বলতে গেলে, মানবতাবোধ ই কি সবচেয়ে বড় কথা না? কেন ধর্মের দোহাই দিয়ে মানুষের মধ্যে বিভেদ তৈরি করতে হবে? প্রথমত, বিভেদ তৈরি করার প্রশ্নই উঠেনা। দ্বিতীয়ত, অবশ্যই মানবকল্যাণ সবচেয়ে বড় কথা (as long as worldly things are concerned). এইবার নিচের অতি সাধারণ ঘটনাগুলি একটু চিন্তা করা যাক -
১. আমার কলিগ অথবা স্বল্প পরিচিত কেউ আমার সাথে ছোটলোকের মত একটা কাজ করল। simply ছোটলোকি! যে কেউ শুনলে ছি ছি করবে (যে যার মনের মত একটা উদাহরণ ভেবে নিন, আমার কল্পনাশক্তি বেশি প্রবল না). আমি কীভাবে react করব?
- সাধারণ মানুষ হলে একটা উচিত শিক্ষা দিব। চক্ষুলজ্জায় সামনা সামনি কিছু বলতে না পারলেও তাকে চেনে এমন মানুষের কাছে পুরো ঘটনাটা সবিস্তার বয়ান করব।
- ভাল মানুষ হলে ঘটনাটা চেপে যাব, তবে সেই পাবলিকের থেকে সাবধান হয়ে যাব, তার সাথে আমি আর নাই।
ধর্মের সমাধান মানলে পুরো ঘটনাটা ভুলে যাব, তাকে অন্তর থেকে মাফ করে দিব এবং তার সুমতির জন্য চেষ্টা করব। যে মানুষটার best friend আল্লাহ, সে ত ঐ লোকের থেকে কিছু আশা করে না। অতএব ঐ বদলোকের কর্মকান্ড ওর প্রতি আমার আচরণ বিন্দুমাত্র বদলাতে পারবেনা। আমি তাকে আগের মতনই উপকার করব, খারাপ সময়ে স্বান্তনা ও ভাল উপদেশ দিব। চাই কি, আল্লাহ কে খুশি করার উদ্দেশ্যে তার spiritual uplifting কে একটা প্রজেক্ট হিসেবেও নিয়ে ফেলতে পারি। ফলাফল, সে আমার থেকে উপকার পেতেই থাকবে, হয়ত কোনদিন তার মধ্যে চেতনা আসবে, না আসলেও আমার কিছু যায় আসে না। আর আমিও irritating people দের ভাল deal করা শিখে যাব।
২. আমার অসম্ভব মন খারাপ। কোন প্রিয়জনের অন্যায় আচরণ আমার বুকের ভেতরটা দুমড়ে মুচড়ে দিয়েছে। বেচে থাকাটাই এখন অর্থহীন মনে হচ্ছে। চারপাশে কালিগোলা অন্ধকার, অসহায়ের মত হাতড়ে কোথাও একটু আলো পাচ্ছিনা। teen age হলে ঘুমের ওষুধ খাবো, একটু সাবালক হলে আরেকটু নিষিদ্ধ কিছু... অথবা খুব ভাগ্যবান হলে কোন বন্ধুর উপর ভর করে আস্তে আস্তে জীবনে ফিরে আসব, তাও পুরো সময়টায় অসংখ্য বার হতাশা, রাগ, প্রতিশোধ, ঘৃণাসহ ধ্বংসাত্মক হাজারো আজব অনুভূতি হবে।
এখন যে মানুষটা বিশ্বাস করে আল্লাহ তার কণ্ঠনালীর চেয়েও কাছে আছে, সে পুরো কষ্টটা কেদে কেদে আল্লাহর কাছে বলবে। কাদতে কাদতে এক সময় তার মনে হবে আল্লাহ সত্যি তার সাথে কথা বলছে। সে নামাজ পড়বে, নামাজে মনটা অন্যদিকে ফোকাস হয় বলে একটা সময় পাজর ভাঙা কান্না ফোপানো অভিমানে রূপ নেবে... ফোলা ঠোটে চোখের পানি নাকের পানি একাকার হয়ে জমবে, আর নামবে ঘুমের ঢল। ঘুম অর্ধেক কষ্ট এমনিই দূর করে দেয়। Allah is sooooooooooo cute!
৩. আমি কোন সংগঠন বা প্রজেক্ট টিমের লীডার হলাম। ধর্মকে আকড়ে ধরে থাকলে আমি দুটো জিনিস সবসময় মানব -
- আমার কাজটায় আল্লাহ কোনভাবে বেজার হচ্ছে কিনা। (like আমি মিটিং এ দেরি করে আসলে আল্লাহর ভাল্লাগবেনা। আমি সবার মতের প্রতি শ্রদ্ধা না দেখালে আল্লাহ পছন্দ করবেনা, ইত্যাদি।)
- মনে মনে বলব, 'আল্লাহ! তুমি ছাড়া আর কারো প্রশংসায় পাত্তা দেইনা, তুমি ছাড়া আর কারো সমালোচনায় ভয় পাইনা'
এতে করে আমার decision নেয়া এবং তাতে strict থাকা অনেক সহজ হয়ে যাবে।
৪. শুধু এসব ঘুরানো প্যাচানো অস্পষ্ট ব্যাপার না। Allah gives direct order! তুমি বিয়ের পাত্রী পছন্দ করতে পারছনা, say ishtikhara prayer. তুমি উত্তর পেয়ে যাবা। এইটুকু পড়ে যারা মুখ বেকিয়ে হাসছেন, তারা নিজেরাই চেষ্টা করে দেখবেন। আমার কথা বিশ্বাস করার কোন দরকার নেই। আমার নিজের এবং পরিচিত মানুষের ভুরি ভুরি উদাহরণ আছে।
যাই হোক, all i wanted to say is ধর্ম মানে নামাজ দাড়ি টুপি না। ধর্ম মানে জানা, প্রয়োগ করা। যারা ধর্মকে অস্বীকার করে তারা কিন্তু পরীক্ষা নিরীক্ষা করে তারপর এটাকে বাতিল বলে ফেলে দেয়নি। they just didn't care enough to think about it. একবার কোন মতে আল্লাহকে close friend বানায় ফেল, মনে মনে বল, i love you Allah! তখন নামাজ, হিজাব... এসবের মাহাত্ম্য নিজে থেকেই পরিষ্কার হয়ে আসবে। জোর করে কি ঠান্ডা পানি দিয়ে ওজু করে সকালের ঘুম মাটি করানো যায়? আল্লাহ খুব কাছের বন্ধু হয়ে গেলে বাকিসব এমনিই হয়ে যায়।
well, সব তর্কই এভাবে শুরু হয়- সবাই প্রমাণ করার চেষ্টা করে, তোমরা যা ভাবছ আল্লাহ আসলে অত দয়ালু না। তোমরা যদি ১০০% ধর্ম না মান তাহলে কোনভাবেই মাফ পাবে না। তারপর শিরক, বিদআত ইত্যাদি ইত্যাদি আরো বিভিন্ন বিষয় উপস্থাপন করে বোঝানোর চেষ্টা করে এই সব ক্ষমার অযোগ্য অপরাধগুলি তোমার মধ্যে বিদ্যমান, অতএব পরিত্রাণ পেতে ধার্মিক না হয়ে তোমার উপায় নেই।
পুরো তর্কটা abstract থেকে আরো abstract হয়ে যায়। একটা যুক্তিজ্ঞানসম্পন্ন মানুষকে জুজুর ভয় দেখিয়ে কি তার পুরো lifestyle বদলে ফেলা সম্ভব? সে ত জানতে চাইতেই পারে, একজন পরোপকারি ভাল মানুষের সাথে একজন ধার্মিক মানুষের পার্থক্যটা কী? একজন সুস্থ বিবেকসম্পন্ন মানুষ বেশির ভাগ সময়ই অনেক বেশি মুক্ত বুদ্ধির অধিকারী হয়, পক্ষান্তরে, ধর্মের সাথে মুক্ত চিন্তা, স্বাধীনতার কেমন যেন একটা আড়ি আড়ি ভাব। কেমন যেন একটু ষাঁড় ষাঁড় ভাব তাদের মধ্যে। একটু বেশি কিছু বললেই ঢুস!
গতকাল রনি তার এক বন্ধুর সাথে তর্ক করছিল, সিলেবাস থেকে ধর্ম বিষয়টা বাদ দিয়ে দেয়া নিয়ে, আমার খুব একটা ভাল লাগেনি। ফাইভ সিক্স এ সালাম স্যার এর স্কেলের বাড়ি না খেলে এতদিনেও বোধহয় দুআ কুনুত শিখে উঠতে পারতাম না। ও তখন আমাকে বলল, এই যে এতগুলি বছর ইসলামিয়াত বই পড়ে আসলা, কেউ কোথাও লিখসে আমাদের ধর্মটা যে এত সুন্দর?
তাই ত! কত কষ্টে, জীবনের বিভিন্ন চড়াই উতরাই পার হতে ঘুমের ওষুধ, ডেল কার্ণেগী থেকে শুরু করে মেডিটেশন, সাইকোলজিকাল কাউন্সেলিং ইত্যাদি ইত্যাদি স...ব পদ্ধতি প্রয়োগ করে হোচট খেয়ে শেষ পর্যন্ত ধর্মের আশ্রয় নিয়েছি। কই! কেউ ত কোনদিন বলেনি, আল্লাহ নামে তোমার একজন best friend আছে। তাকে তুমি যাই জিজ্ঞাসা করবা সে তারই উত্তর দিবে। in fact, সব উত্তর already দেয়াই আছে। ইকটু কষ্ট করে হাদিস এর দুইটা বই পড়ে ফেল.... দেখবা কোথাও না কোথাও তোমার সমস্যার সমাধান দেয়া আছেই।
যাই হোক, প্রশ্নটা ছিল, ধর্ম নিয়ে মাথা ঘামানোর দরকার কী? আরো সহজ করে বলতে গেলে, মানবতাবোধ ই কি সবচেয়ে বড় কথা না? কেন ধর্মের দোহাই দিয়ে মানুষের মধ্যে বিভেদ তৈরি করতে হবে? প্রথমত, বিভেদ তৈরি করার প্রশ্নই উঠেনা। দ্বিতীয়ত, অবশ্যই মানবকল্যাণ সবচেয়ে বড় কথা (as long as worldly things are concerned). এইবার নিচের অতি সাধারণ ঘটনাগুলি একটু চিন্তা করা যাক -
১. আমার কলিগ অথবা স্বল্প পরিচিত কেউ আমার সাথে ছোটলোকের মত একটা কাজ করল। simply ছোটলোকি! যে কেউ শুনলে ছি ছি করবে (যে যার মনের মত একটা উদাহরণ ভেবে নিন, আমার কল্পনাশক্তি বেশি প্রবল না). আমি কীভাবে react করব?
- সাধারণ মানুষ হলে একটা উচিত শিক্ষা দিব। চক্ষুলজ্জায় সামনা সামনি কিছু বলতে না পারলেও তাকে চেনে এমন মানুষের কাছে পুরো ঘটনাটা সবিস্তার বয়ান করব।
- ভাল মানুষ হলে ঘটনাটা চেপে যাব, তবে সেই পাবলিকের থেকে সাবধান হয়ে যাব, তার সাথে আমি আর নাই।
ধর্মের সমাধান মানলে পুরো ঘটনাটা ভুলে যাব, তাকে অন্তর থেকে মাফ করে দিব এবং তার সুমতির জন্য চেষ্টা করব। যে মানুষটার best friend আল্লাহ, সে ত ঐ লোকের থেকে কিছু আশা করে না। অতএব ঐ বদলোকের কর্মকান্ড ওর প্রতি আমার আচরণ বিন্দুমাত্র বদলাতে পারবেনা। আমি তাকে আগের মতনই উপকার করব, খারাপ সময়ে স্বান্তনা ও ভাল উপদেশ দিব। চাই কি, আল্লাহ কে খুশি করার উদ্দেশ্যে তার spiritual uplifting কে একটা প্রজেক্ট হিসেবেও নিয়ে ফেলতে পারি। ফলাফল, সে আমার থেকে উপকার পেতেই থাকবে, হয়ত কোনদিন তার মধ্যে চেতনা আসবে, না আসলেও আমার কিছু যায় আসে না। আর আমিও irritating people দের ভাল deal করা শিখে যাব।
২. আমার অসম্ভব মন খারাপ। কোন প্রিয়জনের অন্যায় আচরণ আমার বুকের ভেতরটা দুমড়ে মুচড়ে দিয়েছে। বেচে থাকাটাই এখন অর্থহীন মনে হচ্ছে। চারপাশে কালিগোলা অন্ধকার, অসহায়ের মত হাতড়ে কোথাও একটু আলো পাচ্ছিনা। teen age হলে ঘুমের ওষুধ খাবো, একটু সাবালক হলে আরেকটু নিষিদ্ধ কিছু... অথবা খুব ভাগ্যবান হলে কোন বন্ধুর উপর ভর করে আস্তে আস্তে জীবনে ফিরে আসব, তাও পুরো সময়টায় অসংখ্য বার হতাশা, রাগ, প্রতিশোধ, ঘৃণাসহ ধ্বংসাত্মক হাজারো আজব অনুভূতি হবে।
এখন যে মানুষটা বিশ্বাস করে আল্লাহ তার কণ্ঠনালীর চেয়েও কাছে আছে, সে পুরো কষ্টটা কেদে কেদে আল্লাহর কাছে বলবে। কাদতে কাদতে এক সময় তার মনে হবে আল্লাহ সত্যি তার সাথে কথা বলছে। সে নামাজ পড়বে, নামাজে মনটা অন্যদিকে ফোকাস হয় বলে একটা সময় পাজর ভাঙা কান্না ফোপানো অভিমানে রূপ নেবে... ফোলা ঠোটে চোখের পানি নাকের পানি একাকার হয়ে জমবে, আর নামবে ঘুমের ঢল। ঘুম অর্ধেক কষ্ট এমনিই দূর করে দেয়। Allah is sooooooooooo cute!
৩. আমি কোন সংগঠন বা প্রজেক্ট টিমের লীডার হলাম। ধর্মকে আকড়ে ধরে থাকলে আমি দুটো জিনিস সবসময় মানব -
- আমার কাজটায় আল্লাহ কোনভাবে বেজার হচ্ছে কিনা। (like আমি মিটিং এ দেরি করে আসলে আল্লাহর ভাল্লাগবেনা। আমি সবার মতের প্রতি শ্রদ্ধা না দেখালে আল্লাহ পছন্দ করবেনা, ইত্যাদি।)
- মনে মনে বলব, 'আল্লাহ! তুমি ছাড়া আর কারো প্রশংসায় পাত্তা দেইনা, তুমি ছাড়া আর কারো সমালোচনায় ভয় পাইনা'
এতে করে আমার decision নেয়া এবং তাতে strict থাকা অনেক সহজ হয়ে যাবে।
৪. শুধু এসব ঘুরানো প্যাচানো অস্পষ্ট ব্যাপার না। Allah gives direct order! তুমি বিয়ের পাত্রী পছন্দ করতে পারছনা, say ishtikhara prayer. তুমি উত্তর পেয়ে যাবা। এইটুকু পড়ে যারা মুখ বেকিয়ে হাসছেন, তারা নিজেরাই চেষ্টা করে দেখবেন। আমার কথা বিশ্বাস করার কোন দরকার নেই। আমার নিজের এবং পরিচিত মানুষের ভুরি ভুরি উদাহরণ আছে।
যাই হোক, all i wanted to say is ধর্ম মানে নামাজ দাড়ি টুপি না। ধর্ম মানে জানা, প্রয়োগ করা। যারা ধর্মকে অস্বীকার করে তারা কিন্তু পরীক্ষা নিরীক্ষা করে তারপর এটাকে বাতিল বলে ফেলে দেয়নি। they just didn't care enough to think about it. একবার কোন মতে আল্লাহকে close friend বানায় ফেল, মনে মনে বল, i love you Allah! তখন নামাজ, হিজাব... এসবের মাহাত্ম্য নিজে থেকেই পরিষ্কার হয়ে আসবে। জোর করে কি ঠান্ডা পানি দিয়ে ওজু করে সকালের ঘুম মাটি করানো যায়? আল্লাহ খুব কাছের বন্ধু হয়ে গেলে বাকিসব এমনিই হয়ে যায়।
অনেক ভালো লাগলো !! ধন্যবাদ এত চমৎকার লেখার জন্য !!!
ReplyDelete