এ পর্যন্ত যে কয়েকজন স্কলার/দা'ঈর লেকচার শুনে ইসলামের প্রেমে পড়েছি তাদের একেক জনের কথার শৈলীতে মনে একেক রকম প্রভাব পড়েছে। উয়িসাম শেরীফ, অতি..রিক্ত ফানি, কথা শুনে হাসতে হাসতে পেটে খিল ধরে যায়... কিন্তু কোথা থেকে যে কোথায় চলে যায়, খেই রাখা যায় না। নোমান আলী খান, প্রাণবন্ত, কথা শুনতে ভাল লাগে, পাশাপাশি প্রতিটা লেকচারেই কুরআনের আরো নতুন কিছু মিরাকল শেয়ার করেন, তখন মনে হয়, বাহ! এত কিছু শিখে ফেললাম! তারিক রামাদান, উনার কণ্ঠস্বরে, শব্দচয়নে কী যেন আছে। শোনার পরপরই আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায় অনেক! চিন্তাভাবনার আরো অনেকগুলো দুয়ার খুলে যায়, আবারো হিসেব কষতে বসি আমাদের বিচারবুদ্ধির কতটুকু সত্যিই কাজে লাগাচ্ছি। মোখতার মাগরুবি - উনার কথা কী আর বলব! কানে না, মগজে না, সোজাসুজি যেন হৃদয়ে এসে ঠাঁই করে নেয় কথাগুলো। উনার লেকচার শোনার পরে একটা বাক্যও আমার মনে থাকে না, একটাও না! কিন্তু মনের মধ্যে কী জানি হয়ে যায়, আত্মার সাথে বোঝাপড়া করে নেয় মনে হয় কথাগুলো।
আরো আছে আমিনাহ আস্ সিলমি। কী শান্ত, মিষ্টি, পুরো পৃথিবীটা যেন ভালবাসা দিয়ে ভরিয়ে দেবেন। জ্ঞানের আধিক্যের চাকচিক্য নেই, তবু মনে হয় ইসলাম যেন উনার আত্মার উপলব্ধি। এই প্রশান্তি যেন আল্লাহ ইসলাম গ্রহণের পুরস্কার হিসেবে দু'হাত ভরে উনাকে উপহার দিয়েছেন।
আমার এইভাবে দা'ঈ দের আলোচনা সমালোচনা করা ঠিক হচ্ছে না। উনারা আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ইসলাম প্রচার করছেন। কারো উপর কী প্রভাব পড়বে এটা উনার বা আমাদের দেখার বিষয় না। তবু আমার ভাল লাগে উনাদের পরিবেশনশৈলী, বক্তব্যের গভীরতা - এসব নিয়ে চিন্তা করতে। তাছাড়া এটাও চিন্তা করি, উনারা সংসারের প্রয়োজন মিটিয়ে ইসলামের কাজে এত সময় কী করে দেন.. এত কিছু গুছিয়ে করেন কী করে... নোমান আলী খান এর বায়্যিনাহ ইনস্টিটিউট দশমাস ব্যাপী আবাসিক কুরআন কোর্স করায়। উনি প্রতি সপ্তাহেই ট্যুর করছেন, এ দিকে ছয় সন্তানের জনক, মাশাআল্লাহ।
ইউসুফ এস্টিস, বৃদ্ধ পক্ককেশ দাদু, কিন্তু মাশাআল্লাহ, দু দু'টো টিভি চ্যানেল চালান। উনার চ্যানেলে কেবল উনার প্রোগ্রামই দেখায়, তার মানে প্রচুর প্রোগ্রাম বানাতে হয়েছে, হচ্ছে - এগুলো চালানোর জন্য। তারপর আছেন, আব্দুর রহিম গ্রীন, উনার নাকি ১১ সন্তান। ১১! স্কলাররা, দা'ঈরা আর কিছু না হোক, সন্তানদের ভাল মুসলিম করে গড়ে তুলবেন - এ প্রত্যয় নিশ্চয়ই থাকে। তার অর্থ উনারা এত কাজের মধ্যেও এ দায়িত্বটুকু নিতে ভয় করেন নি। ইনাদের প্রত্যেকেই আমাকে ইন্সপায়ার করে, সফল জীবন বলতে উনাদেরকেই চোখের সামনে দেখি।
আমার খুব ইচ্ছে করে সময়টাকে কষে বাঁধ দিয়ে টুপ করে ডুব দেই জ্ঞানের অতল সাগরে। যত সময় নষ্ট করেছি, সবগুলোর পাপ ধুয়ে আলোকিত, স্বচ্ছ হয়ে আসি। যখন বেরিয়ে আসব, আলোকচ্ছটায় কারো চোখ ঝলসে যাবে না, নরম এক স্নিগ্ধ আবেশে মন্ত্রমুগ্ধের মত কাছে আসবে সকলে। সূর্য না, চাঁদ না, আমি হব মোম.. আমার জ্ঞানের উত্তাপ আমাকেই গলিয়ে আরো নত করবে.. আর যেই হাত বাড়াবে, তার সাথেই ভাগ করে নেব.. তাতে আমার ঐশ্বর্য কিছুমাত্র কমবে না...
জানিনা কখনও হবে কিনা... তবে আমি স্বপ্ন দেখতে ভালবাসি। আমি অল্পতে খুশি হয়ে যেতে ভালবাসি। আমি আজকে যেখানে আছি সেখানে কখনও আসতে চাইনি। যা হয়েছি, তা হতে চাইনি। তবু আমি বিশ্বাস করি, ঠিক এভাবেই আল্লাহ চেয়েছিলেন আমি গড়ে উঠি। আমার ধীরগতির বেড়ে ওঠা, চিন্তার জগতে একাকিত্ব, বিকলাঙ্গ সামাজিকতাবোধ, বিষণ্নতা - এ সব কিছুরই দরকার ছিল। আরো সামনে যা আসবে - তারও খুব খুব প্রয়োজন আছে। একদিন আমি আবিষ্কার করব জীবন হঠাৎ খুব তীব্র বাঁক নিয়েছে, আরও অবাক হয়ে আবিষ্কার করব, এই পথটুকু চলবার জন্যই এক পা এক পা করে আমি হাঁটতে শিখেছিলাম। সময়ের নিষ্ঠুরতায় হতোদ্যম হয়ে যখন কেবল ভাগ্যকে দোষারোপ করেছি, তখন মেঘেরও ওপারে, অনেক দূর থেকে ভাগ্যনিয়ন্তা আমার অস্থিরতা দেখে হেসেছেন।
আমি যা, ঠিক তাই আমার হওয়ার কথা ছিল। আর কোন কিছু না। অন্য কিছুই না। ধন্যবাদ আল্লাহ! আমি জানি, একদিন আমি দেখতে পাব; ততদিন পর্যন্ত আমার অকৃতজ্ঞতার জন্য আমাকে ক্ষমা করে দিও প্লীজ!
আরো আছে আমিনাহ আস্ সিলমি। কী শান্ত, মিষ্টি, পুরো পৃথিবীটা যেন ভালবাসা দিয়ে ভরিয়ে দেবেন। জ্ঞানের আধিক্যের চাকচিক্য নেই, তবু মনে হয় ইসলাম যেন উনার আত্মার উপলব্ধি। এই প্রশান্তি যেন আল্লাহ ইসলাম গ্রহণের পুরস্কার হিসেবে দু'হাত ভরে উনাকে উপহার দিয়েছেন।
আমার এইভাবে দা'ঈ দের আলোচনা সমালোচনা করা ঠিক হচ্ছে না। উনারা আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ইসলাম প্রচার করছেন। কারো উপর কী প্রভাব পড়বে এটা উনার বা আমাদের দেখার বিষয় না। তবু আমার ভাল লাগে উনাদের পরিবেশনশৈলী, বক্তব্যের গভীরতা - এসব নিয়ে চিন্তা করতে। তাছাড়া এটাও চিন্তা করি, উনারা সংসারের প্রয়োজন মিটিয়ে ইসলামের কাজে এত সময় কী করে দেন.. এত কিছু গুছিয়ে করেন কী করে... নোমান আলী খান এর বায়্যিনাহ ইনস্টিটিউট দশমাস ব্যাপী আবাসিক কুরআন কোর্স করায়। উনি প্রতি সপ্তাহেই ট্যুর করছেন, এ দিকে ছয় সন্তানের জনক, মাশাআল্লাহ।
ইউসুফ এস্টিস, বৃদ্ধ পক্ককেশ দাদু, কিন্তু মাশাআল্লাহ, দু দু'টো টিভি চ্যানেল চালান। উনার চ্যানেলে কেবল উনার প্রোগ্রামই দেখায়, তার মানে প্রচুর প্রোগ্রাম বানাতে হয়েছে, হচ্ছে - এগুলো চালানোর জন্য। তারপর আছেন, আব্দুর রহিম গ্রীন, উনার নাকি ১১ সন্তান। ১১! স্কলাররা, দা'ঈরা আর কিছু না হোক, সন্তানদের ভাল মুসলিম করে গড়ে তুলবেন - এ প্রত্যয় নিশ্চয়ই থাকে। তার অর্থ উনারা এত কাজের মধ্যেও এ দায়িত্বটুকু নিতে ভয় করেন নি। ইনাদের প্রত্যেকেই আমাকে ইন্সপায়ার করে, সফল জীবন বলতে উনাদেরকেই চোখের সামনে দেখি।
আমার খুব ইচ্ছে করে সময়টাকে কষে বাঁধ দিয়ে টুপ করে ডুব দেই জ্ঞানের অতল সাগরে। যত সময় নষ্ট করেছি, সবগুলোর পাপ ধুয়ে আলোকিত, স্বচ্ছ হয়ে আসি। যখন বেরিয়ে আসব, আলোকচ্ছটায় কারো চোখ ঝলসে যাবে না, নরম এক স্নিগ্ধ আবেশে মন্ত্রমুগ্ধের মত কাছে আসবে সকলে। সূর্য না, চাঁদ না, আমি হব মোম.. আমার জ্ঞানের উত্তাপ আমাকেই গলিয়ে আরো নত করবে.. আর যেই হাত বাড়াবে, তার সাথেই ভাগ করে নেব.. তাতে আমার ঐশ্বর্য কিছুমাত্র কমবে না...
জানিনা কখনও হবে কিনা... তবে আমি স্বপ্ন দেখতে ভালবাসি। আমি অল্পতে খুশি হয়ে যেতে ভালবাসি। আমি আজকে যেখানে আছি সেখানে কখনও আসতে চাইনি। যা হয়েছি, তা হতে চাইনি। তবু আমি বিশ্বাস করি, ঠিক এভাবেই আল্লাহ চেয়েছিলেন আমি গড়ে উঠি। আমার ধীরগতির বেড়ে ওঠা, চিন্তার জগতে একাকিত্ব, বিকলাঙ্গ সামাজিকতাবোধ, বিষণ্নতা - এ সব কিছুরই দরকার ছিল। আরো সামনে যা আসবে - তারও খুব খুব প্রয়োজন আছে। একদিন আমি আবিষ্কার করব জীবন হঠাৎ খুব তীব্র বাঁক নিয়েছে, আরও অবাক হয়ে আবিষ্কার করব, এই পথটুকু চলবার জন্যই এক পা এক পা করে আমি হাঁটতে শিখেছিলাম। সময়ের নিষ্ঠুরতায় হতোদ্যম হয়ে যখন কেবল ভাগ্যকে দোষারোপ করেছি, তখন মেঘেরও ওপারে, অনেক দূর থেকে ভাগ্যনিয়ন্তা আমার অস্থিরতা দেখে হেসেছেন।
আমি যা, ঠিক তাই আমার হওয়ার কথা ছিল। আর কোন কিছু না। অন্য কিছুই না। ধন্যবাদ আল্লাহ! আমি জানি, একদিন আমি দেখতে পাব; ততদিন পর্যন্ত আমার অকৃতজ্ঞতার জন্য আমাকে ক্ষমা করে দিও প্লীজ!