আজকে সকালে নাস্তার পর চা খেতে খেতে স্বামী স্ত্রীতে আলাপ হচ্ছিল। প্রসঙ্গ, যাকাতের টাকাটা কোথায় খরচ করলে ভাল হয়। আমাদের সাধ্য অল্পই, তাই যাকাত ছাড়া অন্য সময় এতটা অর্থ একবারে দান করার সুযোগ হয়না। তাই এ সময় আমরা আমাদের ইচ্ছার/স্বপ্নের সর্বোত্তম প্রয়োগ করার চেষ্টা করি। আমার স্বামীর ইচ্ছা সেল্ফ সাস্টেইনেবল প্রজেক্ট চালাবে, এবং একটা পরিবারকে হলেও স্বনির্ভর করে দেবে, আমার ইচ্ছা জ্ঞান ও মেধার বিকাশ হয় এমন যে কোন প্রজেক্টে, যত সামান্যই হোক, অবদান রাখব।
এভাবেই কথা বলতে বলতে আমেরিকায় হামজা ইউসুফ পরিচালিত জয়তুনা কলেজের কথা আসল। এটি একটি লিবারেল আর্টস কলেজ। সেখান থেকে ভবিষ্যতের ইবনে তাইমিয়্যা, ইমাম গাজ্জালি, তারিক রামাদান বের হবেন, এমনই স্বপ্ন দেখি আমি। আমার স্বামী বরাবরই বাস্তবমুখি চিন্তা ভাবনার মানুষ। উনি বললেন, "ঠিক আছে। মুসলিম দার্শনিকের দরকার আছে, যারা ধর্মের সাথে জীবনাচারের সামঞ্জস্যের নতুন নতুন রূপরেখা নির্দেশ করবে। কিন্তু একটা আন্ডারগ্র্যাজুয়েট কলেজ খুলে তার কতদূর হবে? সদ্য হাইস্কুল পাশ করা একটা ছেলের/মেয়ের ম্যাচিউরিটি ত কখনই এতখানি হবে না যে সে তারিক রামাদানের লেভেলের চিন্তাভাবনা করবে। আর জয়তুনা কলেজের কারিকুলামে যা আছে, তা মদীনা ইউনিভার্সিটি বল, আল আজহার বল... এসব প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ে ত চলে আসছেই। আমার মতে ওদের উচিৎ মাস্টার্স বা পিএইচডি চালু করা, যেখান থেকে একেবারে ফাইনাল প্রোডাক্ট হয়ে থিংকাররা বের হবে, যারা সরাসরি কমিউনিটি তে কাজ করার উপযোগিতা নিয়ে আসবে। আবার দিনরাত্রি চিন্তাভাবনা করে, এমন লোকজনই বা ক'টা পাবে? আমার ত ভাল লাগেনা, তোমার হয়ত তাও কিছুটা ভাল লাগে।"
চুপচাপ চায়ের কাপে চুমুক দিতে দিতে কথাগুলো মনের মধ্যে আনাগোনা করলাম। তারপর বললাম, "তারিক রামাদানদের তাত্ত্বিক কথাবার্তা সমাজ পর্যন্ত পৌঁছাতে এক ধাপে হবে না। তার আর সমাজের মাঝখানে অনেকগুলো ধাপ আছে। আমি হয়ত রামাদানের কথা কিছুটা বুঝি, আমার সোশ্যাল সায়েন্সে পড়া বান্ধবী আরো ভাল বোঝে। তুমি যদি আরো কম বোঝ তাতেও ত কোন সমস্যা নেই। কারণ তোমাকে দেখেছি, যে কোন তত্ত্বীয় দিকের প্রয়োগটা খুব সুন্দর করে প্ল্যান করে ফেলতে পার। আমি যেমন তত্ত্বকথা নিয়ে পড়ে থাকতে ভালবাসি, তুমি সে আইডিয়াটা ভাল হলে সর্বোচ্চ প্রয়োগ কীভাবে করা যায় সাথে সাথে বের করে ফেলতে পার। সুতরাং তুমি সরাসরি ওদের কথা বোঝনা মানে কিন্তু এই না, তোমাকে ছাড়াও মুসলিম উম্মাহর চলবে, বা তোমার মুসলিম কমিউনিটি কে দেয়ার মত কিছু নেই।"
কিছুক্ষণ বিরতি। বোধহয় কথাগুলো মনে ধরল। তারপর বলল, "আমি চাই মুসলিমরা জাগতিক উৎকর্ষের দিক থেকে ইহুদিদের মত হবে। ছোট্ট একটা জাতি, কী নেই তাদের? বিজ্ঞানে এগিয়ে আছে, মিডিয়া তাদের দখলে, প্রচুর টাকা.." আমি থামিয়ে দিয়ে বললাম, "কেন, আমাদের মুসলিমদের কি ব্যক্তি পর্যায়ে টাকাপয়সা নেই?" "আছে! ডাক্তারদের আছে! কিন্তু তারা গিয়ে টাকা ঢালে মসজিদে। মসজিদগুলিও দানের টাকা তার সৌন্দর্যবর্ধনের কাজেই লাগিয়ে খুশি থাকে! অথচ হওয়া উচিৎ ছিল এমন, বাল্টিমোর একটা কমিউনিটি, এখানে এতজন মুসলিম ডাক্তার থাকতে হবে, এতজন লইয়্যার থাকতে হবে, সিনেটে লোকজন থাকতে হবে। তারপর হিসাব করতে হবে, এর কতটুকু এখন আছে। তারপর মসজিদভিত্তিক স্কুলগুলোতে ছাত্রবৃত্তির ব্যবস্থা করতে হবে, তুমি যদি হাইস্কুলের পর এই লাইনে যাও, বৃত্তি পাবে।"
কথাগুলো এত ভাল লাগল, বলে ফেললাম, "ইনশাআল্লাহ! আমরা আমাদের ছেলে/মেয়েকে ল' পড়াব, যদি তার যোগ্যতা ও ইচ্ছা থাকে। আর সাধ্যের মধ্যে থাকলে এমন মেধাকে বিকাশে সাহায্যও করব।" তারপর বললাম, "দেখ, তুমি মসজিদ কমিটিকে দোষ দিতে পারনা। তারা তাদের যোগ্যতার মধ্যে থেকে যা করার করেছে। তাদের লিমিটেশন আছে। কমিউনিটি কে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রথম ধাপ ছিল মসজিদ তৈরি করা, সে মসজিদে মানুষকে আকৃষ্ট করা। সেটা উনারা করেছেন। ভবিষ্যতের চিন্তা করে এভাবে প্ল্যান করাটা উনাদের যোগ্যতায় কুলাবে না।" কী বলতে চাইছি, বুঝতে পেরে বলল, "কিন্তু আমার মত মানুষ ত কেবল প্ল্যান দিয়ে আর সংগঠকদের একটু সমালোচনা করেই সারা। আমরা ত এগিয়ে গিয়ে কাজ করব না। কাজ করার জন্য আরো অনেক বেশি কর্মঠ, গোছানো, ডেডিকেটেড হতে হয়। আমি প্ল্যান দিলেই কী আর না দিলেই কী?"
চুপ করে থাকলাম। এভাবেই সুন্দর ভাবনার চারাগুলো আলো, পানি, হাওয়া না পেয়ে মারা যায়। এই মানুষটাকে যদি ঠিকভাবে বলতে না পারি, সে হয়ত কখনোই বুঝবে না, এভাবে চিন্তা করার মত আন্তরিক মনের সংখ্যা কত কম!
বললাম, "দেখ! তুমি এই যে চিন্তাটা করলে, এইটাই কিন্তু তোমার স্বকীয়তা ছিল। অর্গানাইজ করা, এক্সিকিউট করা - এসব না করার দোষ তোমার উপর চাপিয়ে দিলে তোমার উপর অন্যায় করা হবে। মসজিদ কমিটির লোকদের লিমিটেশন আছে সুদূরপ্রসারী চিন্তা করতে পারেনা। সে অভাবটা তুমি পূরণ করছ। তোমার আমার লিমিটেশন আছে, আমরা কোন কিছুর জন্যই সময় বের করতে পারিনা। আমরা কী করব - বড়জোর মসজিদ কমিটির যে বড় ভাই কে চিনি, উনাকে গিয়ে বলব। উনি অন্যদের থেকে একটু আলাদা, কিন্তু উনারও সীমাবদ্ধতা আছে। উনিও কাজটা একা করতে পারবেন না। এজন্যই সবাই মিলে কাজ করাটা খুব বেশি দরকার। সামুদ্রিক কোরালের মত এক কণা এক কণা ইনপুট দিয়ে পুরো জিনিসটা গড়ে উঠবে। আর যে যেখানে পায়, তার যোগ্য মত জায়গাটা খুঁজে নেবে। তার পক্ষে যেটুকু করা সম্ভব, সেটুকু করে আসবে। তোমার কাজ ছিল আইডিয়া দেয়া। তুমি দিয়েছ। তোমার ত মন খারাপ করার দরকার নেই, তুমি এক্সিকিউট করতে পারনা বলে। এক্সিকিউট করা তোমার কাজ না। এক্সিকিউট করার মানুষ বের হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।"
কাপের চা শেষ হয়ে ঘড়ির কাঁটা বেয়াড়া রকমের সামনে চলে গেল। আমাদেরও ল্যাবে যাওয়ার জন্য উঠতে হল। বের হওয়ার প্রস্তুতি নিতে নিতে মনে হল, আমরা সবাই একটা সুদীর্ঘ রিলে রেস এ অংশ নিয়েছি। রেস এ কার দৌড় আগে, কার পরে, সেটা জরুরি না, যে দায়িত্বটা দেয়া হয়েছে, সেটা অন্যজনের তুলনায় সম্মানের না অসম্মানের - সেটাও জরুরি না। ব্যাটনটা এখন আমার হাতে, সেটা নিয়ে সময়ের মধ্যেই পরের জনের হাতে তুলে দিতে হবে - এটাই কেবল জরুরি।
এভাবেই কথা বলতে বলতে আমেরিকায় হামজা ইউসুফ পরিচালিত জয়তুনা কলেজের কথা আসল। এটি একটি লিবারেল আর্টস কলেজ। সেখান থেকে ভবিষ্যতের ইবনে তাইমিয়্যা, ইমাম গাজ্জালি, তারিক রামাদান বের হবেন, এমনই স্বপ্ন দেখি আমি। আমার স্বামী বরাবরই বাস্তবমুখি চিন্তা ভাবনার মানুষ। উনি বললেন, "ঠিক আছে। মুসলিম দার্শনিকের দরকার আছে, যারা ধর্মের সাথে জীবনাচারের সামঞ্জস্যের নতুন নতুন রূপরেখা নির্দেশ করবে। কিন্তু একটা আন্ডারগ্র্যাজুয়েট কলেজ খুলে তার কতদূর হবে? সদ্য হাইস্কুল পাশ করা একটা ছেলের/মেয়ের ম্যাচিউরিটি ত কখনই এতখানি হবে না যে সে তারিক রামাদানের লেভেলের চিন্তাভাবনা করবে। আর জয়তুনা কলেজের কারিকুলামে যা আছে, তা মদীনা ইউনিভার্সিটি বল, আল আজহার বল... এসব প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ে ত চলে আসছেই। আমার মতে ওদের উচিৎ মাস্টার্স বা পিএইচডি চালু করা, যেখান থেকে একেবারে ফাইনাল প্রোডাক্ট হয়ে থিংকাররা বের হবে, যারা সরাসরি কমিউনিটি তে কাজ করার উপযোগিতা নিয়ে আসবে। আবার দিনরাত্রি চিন্তাভাবনা করে, এমন লোকজনই বা ক'টা পাবে? আমার ত ভাল লাগেনা, তোমার হয়ত তাও কিছুটা ভাল লাগে।"
চুপচাপ চায়ের কাপে চুমুক দিতে দিতে কথাগুলো মনের মধ্যে আনাগোনা করলাম। তারপর বললাম, "তারিক রামাদানদের তাত্ত্বিক কথাবার্তা সমাজ পর্যন্ত পৌঁছাতে এক ধাপে হবে না। তার আর সমাজের মাঝখানে অনেকগুলো ধাপ আছে। আমি হয়ত রামাদানের কথা কিছুটা বুঝি, আমার সোশ্যাল সায়েন্সে পড়া বান্ধবী আরো ভাল বোঝে। তুমি যদি আরো কম বোঝ তাতেও ত কোন সমস্যা নেই। কারণ তোমাকে দেখেছি, যে কোন তত্ত্বীয় দিকের প্রয়োগটা খুব সুন্দর করে প্ল্যান করে ফেলতে পার। আমি যেমন তত্ত্বকথা নিয়ে পড়ে থাকতে ভালবাসি, তুমি সে আইডিয়াটা ভাল হলে সর্বোচ্চ প্রয়োগ কীভাবে করা যায় সাথে সাথে বের করে ফেলতে পার। সুতরাং তুমি সরাসরি ওদের কথা বোঝনা মানে কিন্তু এই না, তোমাকে ছাড়াও মুসলিম উম্মাহর চলবে, বা তোমার মুসলিম কমিউনিটি কে দেয়ার মত কিছু নেই।"
কিছুক্ষণ বিরতি। বোধহয় কথাগুলো মনে ধরল। তারপর বলল, "আমি চাই মুসলিমরা জাগতিক উৎকর্ষের দিক থেকে ইহুদিদের মত হবে। ছোট্ট একটা জাতি, কী নেই তাদের? বিজ্ঞানে এগিয়ে আছে, মিডিয়া তাদের দখলে, প্রচুর টাকা.." আমি থামিয়ে দিয়ে বললাম, "কেন, আমাদের মুসলিমদের কি ব্যক্তি পর্যায়ে টাকাপয়সা নেই?" "আছে! ডাক্তারদের আছে! কিন্তু তারা গিয়ে টাকা ঢালে মসজিদে। মসজিদগুলিও দানের টাকা তার সৌন্দর্যবর্ধনের কাজেই লাগিয়ে খুশি থাকে! অথচ হওয়া উচিৎ ছিল এমন, বাল্টিমোর একটা কমিউনিটি, এখানে এতজন মুসলিম ডাক্তার থাকতে হবে, এতজন লইয়্যার থাকতে হবে, সিনেটে লোকজন থাকতে হবে। তারপর হিসাব করতে হবে, এর কতটুকু এখন আছে। তারপর মসজিদভিত্তিক স্কুলগুলোতে ছাত্রবৃত্তির ব্যবস্থা করতে হবে, তুমি যদি হাইস্কুলের পর এই লাইনে যাও, বৃত্তি পাবে।"
কথাগুলো এত ভাল লাগল, বলে ফেললাম, "ইনশাআল্লাহ! আমরা আমাদের ছেলে/মেয়েকে ল' পড়াব, যদি তার যোগ্যতা ও ইচ্ছা থাকে। আর সাধ্যের মধ্যে থাকলে এমন মেধাকে বিকাশে সাহায্যও করব।" তারপর বললাম, "দেখ, তুমি মসজিদ কমিটিকে দোষ দিতে পারনা। তারা তাদের যোগ্যতার মধ্যে থেকে যা করার করেছে। তাদের লিমিটেশন আছে। কমিউনিটি কে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রথম ধাপ ছিল মসজিদ তৈরি করা, সে মসজিদে মানুষকে আকৃষ্ট করা। সেটা উনারা করেছেন। ভবিষ্যতের চিন্তা করে এভাবে প্ল্যান করাটা উনাদের যোগ্যতায় কুলাবে না।" কী বলতে চাইছি, বুঝতে পেরে বলল, "কিন্তু আমার মত মানুষ ত কেবল প্ল্যান দিয়ে আর সংগঠকদের একটু সমালোচনা করেই সারা। আমরা ত এগিয়ে গিয়ে কাজ করব না। কাজ করার জন্য আরো অনেক বেশি কর্মঠ, গোছানো, ডেডিকেটেড হতে হয়। আমি প্ল্যান দিলেই কী আর না দিলেই কী?"
চুপ করে থাকলাম। এভাবেই সুন্দর ভাবনার চারাগুলো আলো, পানি, হাওয়া না পেয়ে মারা যায়। এই মানুষটাকে যদি ঠিকভাবে বলতে না পারি, সে হয়ত কখনোই বুঝবে না, এভাবে চিন্তা করার মত আন্তরিক মনের সংখ্যা কত কম!
বললাম, "দেখ! তুমি এই যে চিন্তাটা করলে, এইটাই কিন্তু তোমার স্বকীয়তা ছিল। অর্গানাইজ করা, এক্সিকিউট করা - এসব না করার দোষ তোমার উপর চাপিয়ে দিলে তোমার উপর অন্যায় করা হবে। মসজিদ কমিটির লোকদের লিমিটেশন আছে সুদূরপ্রসারী চিন্তা করতে পারেনা। সে অভাবটা তুমি পূরণ করছ। তোমার আমার লিমিটেশন আছে, আমরা কোন কিছুর জন্যই সময় বের করতে পারিনা। আমরা কী করব - বড়জোর মসজিদ কমিটির যে বড় ভাই কে চিনি, উনাকে গিয়ে বলব। উনি অন্যদের থেকে একটু আলাদা, কিন্তু উনারও সীমাবদ্ধতা আছে। উনিও কাজটা একা করতে পারবেন না। এজন্যই সবাই মিলে কাজ করাটা খুব বেশি দরকার। সামুদ্রিক কোরালের মত এক কণা এক কণা ইনপুট দিয়ে পুরো জিনিসটা গড়ে উঠবে। আর যে যেখানে পায়, তার যোগ্য মত জায়গাটা খুঁজে নেবে। তার পক্ষে যেটুকু করা সম্ভব, সেটুকু করে আসবে। তোমার কাজ ছিল আইডিয়া দেয়া। তুমি দিয়েছ। তোমার ত মন খারাপ করার দরকার নেই, তুমি এক্সিকিউট করতে পারনা বলে। এক্সিকিউট করা তোমার কাজ না। এক্সিকিউট করার মানুষ বের হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।"
কাপের চা শেষ হয়ে ঘড়ির কাঁটা বেয়াড়া রকমের সামনে চলে গেল। আমাদেরও ল্যাবে যাওয়ার জন্য উঠতে হল। বের হওয়ার প্রস্তুতি নিতে নিতে মনে হল, আমরা সবাই একটা সুদীর্ঘ রিলে রেস এ অংশ নিয়েছি। রেস এ কার দৌড় আগে, কার পরে, সেটা জরুরি না, যে দায়িত্বটা দেয়া হয়েছে, সেটা অন্যজনের তুলনায় সম্মানের না অসম্মানের - সেটাও জরুরি না। ব্যাটনটা এখন আমার হাতে, সেটা নিয়ে সময়ের মধ্যেই পরের জনের হাতে তুলে দিতে হবে - এটাই কেবল জরুরি।