অপ্রিয় সত্যটাকে অস্বীকার না করেও কীভাবে ভাল দিকগুলো তুলে আনা যায় - সেটা বোঝাতেই এই সত্য/অর্ধসত্য/কাল্পনিক ঘটনাগুলোর অবতারণা
আজকে নাহিয়ান আর আসাদের গল্প করার দিন। দু'জনেরই বেশ খানিকটা অবসর, তাই গল্পের ডালি খুলে বসেছে দু'জনে। ওদের বিয়ে হয়েছে দুই তিন মাস হল। এখনও অনেক কিছু জানার বাকি, তাই একথা সেকথা থেকে দু'জনেই ফিরে গেল শৈশবে।
(নাহিয়ান): আমি ছোটবেলা খুব বাবার ভক্ত ছিলাম। বাবা বাইরে যেতে নিলে পা জড়িয়ে ধরে রাখতাম। ঘরে আসলেই আবার বাবার কোলে।
(আসাদ): আমি ছিলাম প্রচন্ড মায়ের ন্যাওটা। আম্মুর সাথে সাথেই ঘুরতাম, আম্মু ঘরের কাজ করত, আমি তার সাথে বসে থাকতাম। আমার যন্ত্রণায় কাজই করতে পারত না।
(নাহিয়ান): হ্যা, আম্মুও আদর করত, কিন্তু বাবা সবসময় থাকত না ত, বাসায় আসলে আমার সাথে খেলা করত... তারপর বিকেল বেলা আব্দার করলে শিশুপার্ক, নিউমার্কেট - এসব জায়গায় নিয়ে যেত - খুব মজা! তারপর একবার আব্বু ঢাকায় গিয়েছিল, আসার সময় আমার জন্য ৩-৪ টা পুতুল, গল্পের বই, রং - অনেক কিছু এনে দিয়েছিল। এই জন্য আমার কাছে বাবা মানেই আনন্দ ছিল।
(আসাদ): শাসন করত না?
(নাহিয়ান): নাহ্! বড় হওয়ার পরে করেছে, কিন্তু এমনিতে খালি আদরই করত।
আসাদের মুখটা আস্তে আস্তে কাল হয়ে গেল। ধীরে ধীরে বলল, 'তুমি খুব লাকি, নাহিয়ান! তোমার শৈশব খুব সুন্দর ছিল।'
- কেন, তোমার ছিল না?
- আমার সারা জীবনে কোনদিন কোন খেলনা ছিলনা।
- তো কী হয়েছে? কত বাচ্চারই ত থাকেনা। তোমাদের ত কিছুটা অস্বচ্ছলতা ছিল, খেলনা কেনার মত বিলাসিতাটা হয়ত উনারা করতে পারেন নি। এতে মন খারাপ কর কেন?
আসাদ মৃদু হাসে, 'তোমার কি মনে হয়, আমি এত অকৃতজ্ঞ যে আমার বাবা মায়ের অক্ষমতা নিয়ে অভিযোগ করব? ব্যাপারটা তা ছিলনা।'
- তাহলে?
- আমার বাবা কোনদিন আমাকে বাবার আদর দিয়ে বড় করেন নি।
- কী বল তুমি? আমার শ্বশুরের মত ভাল মানুষ কয়টা হয়? আমাকেই ত কীরকম আদর করেন!!
- হ্যা, উনি পৃথিবীর সবার কাছে ভাল মানুষ। কেবল স্ত্রী, সন্তানদের জন্য উনার কোন দায়িত্ব আছে, এটা তিনি মনে করতেন না, এখনও করেন না। খেলনা বল, বেড়ানো বল, কাপড় চোপড় বল.. কোন কিছুই উনার কাছে মনে হতনা যে এটা আমার পরিবারের মানুষদের জন্য দরকার। সামান্য যে ক'টা টাকা আয় করতেন, বাসায় বাজারটা করে দিয়ে বাকি টাকা নিজের ভাই ভাবীর পরিবারে খরচ করতেন।
- উনাদের হয়ত আরো বেশি দরকার ছিল!
- মোটেই না, উনারা খুবই স্বচ্ছল, নিজেদের ব্যবসাপাতি আছে।
- তাহলে?
- জানি না। একবার আমার মনে পড়ে বাজার থেকে বেশ কিছু খেলনা, বাচ্চাদের জিনিস কিনে আনেন। সব আমার চাচাত ভাই বোনদের জন্য, আমার বয়স তখন সাত।
- কেন?
- জানিনা।
আসাদের মুখের বিমর্ষতা কেটে আস্তে আস্তে ভর করে ক্ষোভ। অস্ফুট স্বরে বলতে থাকে, 'আম্মু চাচাদের বাসায় কত অসম্মান পেয়েছে, আমার বাবা পাত্তাও দেয়নি। বড় হওয়ার আগ পর্যন্ত বাবা আমাদের কাছে কেবলই ভয়ের ব্যাপার ছিল। পড়ার টেবিলে না পেলে মারবেন, এ ছাড়া বাবার সাথে আমার আর কোন শৈশব নেই।'
বলতে বলতে নাহিয়ানের দিকে তাকিয়ে দেখে ওর চোখে টলটল করছে পানি। 'আরে! এ্যই মেয়ে, কান্না করছ কেন? তোমাকে ত আর কিছু বলাই যাবে না দেখি।' আসাদ মুখোমুখি বসে চোখের পানি মুছিয়ে দিতে থাকে। নাহিয়ান একটু ধাতস্থ হলে আবার কথা শুরু করে -
- কান্না কর কেন? এটা এমন কী কষ্ট? মানুষ আরো কত কষ্টে থাকে না? কারো ত বাবাই থাকে না!
- তারপরেও, যার যার স্ট্রাগল তার তার। তুমি যে কষ্ট পাওনি তা ত না।
- না, কষ্ট পেয়েছি এটা অস্বীকার করব না। কিন্তু দেখ, এতদিন পরে পেছনে তাকিয়ে মনে হয়, আমি আজকে যে মানুষটা হয়েছি, তার জন্য এ ঘটনাগুলোর অবদান আছে।
- কীরকম?
- আমি এগুলো পাইনি দেখেই বুঝি বাবা হিসেবে, স্বামী হিসেবে দায়িত্বগুলো পালন করা কত জরুরি। আমার বন্ধুবান্ধবদের অনেকের মধ্যেই বিয়ে মানে একটা ফ্যান্টাসি, একটা মেয়ের সাথে ২৪ ঘন্টা থাকা - এটুকুই। তোমার মনে আছে, তোমার বাবা যখন তোমার হাতটা আমার হাতে তুলে দিল, আমি কী বলেছিলাম?
- হুঁ, বলেছিলে, 'আপনারা যে বিশ্বাস নিয়ে ওকে আমার হাতে দিলেন, দোয়া করবেন যেন তার সবটুকু মর্যাদা রাখতে পারি।'
- আমি সত্যিই মনে প্রাণে এটাই বিশ্বাস করি।
- আমি জানি।
- তারপর দেখ, তোমরা অনেক নিরাপত্তা পেয়ে বড় হয়েছ। তোমার বাবা ছিল বিপদ আপদ দেখার জন্য, মা তোমাদের মানসিক শক্তি দিয়েছেন, সে তুলনায়, আমরা ভাইবোনেরা অনেক ছোট থেকেই জানি, আমাদের জন্য মাথার উপর কেউ নেই। আমার মা এত সরল, উনি আমাদের সামলাবেন কী, আমাদেরই উনাকে মানসিক শক্তি দিতে হয়েছে। সে জন্য আমরা ভাইবোনেরা, মা - সবাই একটা ইউনিট এর মত ছিলাম। এখনও ত তুমি বল, আমাদের মধ্যে বন্ধনটা অনেক বেশি।
- হ্যাঁ, তোমরা ভাইবোনেরা যেভাবে একাত্মা হয়ে আছ, এটা এখন আর অত দেখা যায় না।
- তাছাড়া, তোমাকে ত বললামই, আত্মীয়দের থেকেও অনেক সময় কষ্ট পেয়েছি। তাই বন্ধুবান্ধব, প্রতিবেশী, যেই হাত বাড়িয়ে দিয়েছে, আপন মানুষের মত দেখেছি।
- হুঁ, তুমি মানুষকে খুব দ্রুত আপন করে নিতে পার।
- কী করব বল, আমাদের একমাত্র আনন্দ ত ছিল হিউম্যান ইন্টারঅ্যাকশনেই। টিভি নেই, গল্পের বই কেনার টাকা নেই, ঘুরতে যাওয়ার উপায় নেই... আড্ডা দিতাম, ওটাই আনন্দ।
- হ্যা, আমি নতুন জায়গায় গেলে ভয় লাগে, মানুষের সাথে মিশতে ভয় পাই, তুমি পাওনা, দেখেছি।
- প্লাস সবসময় মাথায় ছিল ভাল পড়াশুনা না করলে এই অবস্থা থেকে কোনদিন বের হতে পারব না। দাঁতে দাঁত চেপে কেবল পড়াশুনা করেছি। আমার মধ্যে একটা বাধনছেঁড়া ভাব আছে। এখন মনে হয়, পরিবারের এই চাপটা না থাকলে আমি মনে হয় ঠিক থাকতাম না।
- কী জানি!
- সবকিছু মিলিয়ে আমার এখন আর কোন দুঃখ নেই, জান! আমার মনে হয় দুঃখের সময়গুলো আমার জন্য ট্রেইনিং পিরিয়ড ছিল। উৎরে যেতে পেরেছি বলেই এখন এখানে আছি এবং তোমাকে পেয়েছি।
নাহিয়ানের ভেজা গালে খুশি আর লজ্জা মিলে অদ্ভুত এক রং দেখা দিল। আসাদ আরও একবার মেয়েটার সরলতা দেখে অবাক হল।
আজকে নাহিয়ান আর আসাদের গল্প করার দিন। দু'জনেরই বেশ খানিকটা অবসর, তাই গল্পের ডালি খুলে বসেছে দু'জনে। ওদের বিয়ে হয়েছে দুই তিন মাস হল। এখনও অনেক কিছু জানার বাকি, তাই একথা সেকথা থেকে দু'জনেই ফিরে গেল শৈশবে।
(নাহিয়ান): আমি ছোটবেলা খুব বাবার ভক্ত ছিলাম। বাবা বাইরে যেতে নিলে পা জড়িয়ে ধরে রাখতাম। ঘরে আসলেই আবার বাবার কোলে।
(আসাদ): আমি ছিলাম প্রচন্ড মায়ের ন্যাওটা। আম্মুর সাথে সাথেই ঘুরতাম, আম্মু ঘরের কাজ করত, আমি তার সাথে বসে থাকতাম। আমার যন্ত্রণায় কাজই করতে পারত না।
(নাহিয়ান): হ্যা, আম্মুও আদর করত, কিন্তু বাবা সবসময় থাকত না ত, বাসায় আসলে আমার সাথে খেলা করত... তারপর বিকেল বেলা আব্দার করলে শিশুপার্ক, নিউমার্কেট - এসব জায়গায় নিয়ে যেত - খুব মজা! তারপর একবার আব্বু ঢাকায় গিয়েছিল, আসার সময় আমার জন্য ৩-৪ টা পুতুল, গল্পের বই, রং - অনেক কিছু এনে দিয়েছিল। এই জন্য আমার কাছে বাবা মানেই আনন্দ ছিল।
(আসাদ): শাসন করত না?
(নাহিয়ান): নাহ্! বড় হওয়ার পরে করেছে, কিন্তু এমনিতে খালি আদরই করত।
আসাদের মুখটা আস্তে আস্তে কাল হয়ে গেল। ধীরে ধীরে বলল, 'তুমি খুব লাকি, নাহিয়ান! তোমার শৈশব খুব সুন্দর ছিল।'
- কেন, তোমার ছিল না?
- আমার সারা জীবনে কোনদিন কোন খেলনা ছিলনা।
- তো কী হয়েছে? কত বাচ্চারই ত থাকেনা। তোমাদের ত কিছুটা অস্বচ্ছলতা ছিল, খেলনা কেনার মত বিলাসিতাটা হয়ত উনারা করতে পারেন নি। এতে মন খারাপ কর কেন?
আসাদ মৃদু হাসে, 'তোমার কি মনে হয়, আমি এত অকৃতজ্ঞ যে আমার বাবা মায়ের অক্ষমতা নিয়ে অভিযোগ করব? ব্যাপারটা তা ছিলনা।'
- তাহলে?
- আমার বাবা কোনদিন আমাকে বাবার আদর দিয়ে বড় করেন নি।
- কী বল তুমি? আমার শ্বশুরের মত ভাল মানুষ কয়টা হয়? আমাকেই ত কীরকম আদর করেন!!
- হ্যা, উনি পৃথিবীর সবার কাছে ভাল মানুষ। কেবল স্ত্রী, সন্তানদের জন্য উনার কোন দায়িত্ব আছে, এটা তিনি মনে করতেন না, এখনও করেন না। খেলনা বল, বেড়ানো বল, কাপড় চোপড় বল.. কোন কিছুই উনার কাছে মনে হতনা যে এটা আমার পরিবারের মানুষদের জন্য দরকার। সামান্য যে ক'টা টাকা আয় করতেন, বাসায় বাজারটা করে দিয়ে বাকি টাকা নিজের ভাই ভাবীর পরিবারে খরচ করতেন।
- উনাদের হয়ত আরো বেশি দরকার ছিল!
- মোটেই না, উনারা খুবই স্বচ্ছল, নিজেদের ব্যবসাপাতি আছে।
- তাহলে?
- জানি না। একবার আমার মনে পড়ে বাজার থেকে বেশ কিছু খেলনা, বাচ্চাদের জিনিস কিনে আনেন। সব আমার চাচাত ভাই বোনদের জন্য, আমার বয়স তখন সাত।
- কেন?
- জানিনা।
আসাদের মুখের বিমর্ষতা কেটে আস্তে আস্তে ভর করে ক্ষোভ। অস্ফুট স্বরে বলতে থাকে, 'আম্মু চাচাদের বাসায় কত অসম্মান পেয়েছে, আমার বাবা পাত্তাও দেয়নি। বড় হওয়ার আগ পর্যন্ত বাবা আমাদের কাছে কেবলই ভয়ের ব্যাপার ছিল। পড়ার টেবিলে না পেলে মারবেন, এ ছাড়া বাবার সাথে আমার আর কোন শৈশব নেই।'
বলতে বলতে নাহিয়ানের দিকে তাকিয়ে দেখে ওর চোখে টলটল করছে পানি। 'আরে! এ্যই মেয়ে, কান্না করছ কেন? তোমাকে ত আর কিছু বলাই যাবে না দেখি।' আসাদ মুখোমুখি বসে চোখের পানি মুছিয়ে দিতে থাকে। নাহিয়ান একটু ধাতস্থ হলে আবার কথা শুরু করে -
- কান্না কর কেন? এটা এমন কী কষ্ট? মানুষ আরো কত কষ্টে থাকে না? কারো ত বাবাই থাকে না!
- তারপরেও, যার যার স্ট্রাগল তার তার। তুমি যে কষ্ট পাওনি তা ত না।
- না, কষ্ট পেয়েছি এটা অস্বীকার করব না। কিন্তু দেখ, এতদিন পরে পেছনে তাকিয়ে মনে হয়, আমি আজকে যে মানুষটা হয়েছি, তার জন্য এ ঘটনাগুলোর অবদান আছে।
- কীরকম?
- আমি এগুলো পাইনি দেখেই বুঝি বাবা হিসেবে, স্বামী হিসেবে দায়িত্বগুলো পালন করা কত জরুরি। আমার বন্ধুবান্ধবদের অনেকের মধ্যেই বিয়ে মানে একটা ফ্যান্টাসি, একটা মেয়ের সাথে ২৪ ঘন্টা থাকা - এটুকুই। তোমার মনে আছে, তোমার বাবা যখন তোমার হাতটা আমার হাতে তুলে দিল, আমি কী বলেছিলাম?
- হুঁ, বলেছিলে, 'আপনারা যে বিশ্বাস নিয়ে ওকে আমার হাতে দিলেন, দোয়া করবেন যেন তার সবটুকু মর্যাদা রাখতে পারি।'
- আমি সত্যিই মনে প্রাণে এটাই বিশ্বাস করি।
- আমি জানি।
- তারপর দেখ, তোমরা অনেক নিরাপত্তা পেয়ে বড় হয়েছ। তোমার বাবা ছিল বিপদ আপদ দেখার জন্য, মা তোমাদের মানসিক শক্তি দিয়েছেন, সে তুলনায়, আমরা ভাইবোনেরা অনেক ছোট থেকেই জানি, আমাদের জন্য মাথার উপর কেউ নেই। আমার মা এত সরল, উনি আমাদের সামলাবেন কী, আমাদেরই উনাকে মানসিক শক্তি দিতে হয়েছে। সে জন্য আমরা ভাইবোনেরা, মা - সবাই একটা ইউনিট এর মত ছিলাম। এখনও ত তুমি বল, আমাদের মধ্যে বন্ধনটা অনেক বেশি।
- হ্যাঁ, তোমরা ভাইবোনেরা যেভাবে একাত্মা হয়ে আছ, এটা এখন আর অত দেখা যায় না।
- তাছাড়া, তোমাকে ত বললামই, আত্মীয়দের থেকেও অনেক সময় কষ্ট পেয়েছি। তাই বন্ধুবান্ধব, প্রতিবেশী, যেই হাত বাড়িয়ে দিয়েছে, আপন মানুষের মত দেখেছি।
- হুঁ, তুমি মানুষকে খুব দ্রুত আপন করে নিতে পার।
- কী করব বল, আমাদের একমাত্র আনন্দ ত ছিল হিউম্যান ইন্টারঅ্যাকশনেই। টিভি নেই, গল্পের বই কেনার টাকা নেই, ঘুরতে যাওয়ার উপায় নেই... আড্ডা দিতাম, ওটাই আনন্দ।
- হ্যা, আমি নতুন জায়গায় গেলে ভয় লাগে, মানুষের সাথে মিশতে ভয় পাই, তুমি পাওনা, দেখেছি।
- প্লাস সবসময় মাথায় ছিল ভাল পড়াশুনা না করলে এই অবস্থা থেকে কোনদিন বের হতে পারব না। দাঁতে দাঁত চেপে কেবল পড়াশুনা করেছি। আমার মধ্যে একটা বাধনছেঁড়া ভাব আছে। এখন মনে হয়, পরিবারের এই চাপটা না থাকলে আমি মনে হয় ঠিক থাকতাম না।
- কী জানি!
- সবকিছু মিলিয়ে আমার এখন আর কোন দুঃখ নেই, জান! আমার মনে হয় দুঃখের সময়গুলো আমার জন্য ট্রেইনিং পিরিয়ড ছিল। উৎরে যেতে পেরেছি বলেই এখন এখানে আছি এবং তোমাকে পেয়েছি।
নাহিয়ানের ভেজা গালে খুশি আর লজ্জা মিলে অদ্ভুত এক রং দেখা দিল। আসাদ আরও একবার মেয়েটার সরলতা দেখে অবাক হল।
No comments:
Post a Comment