আমার মন খারাপ হয় দু'টো কারণে। কিছু একটা মনে মনে আশা করে থাকি, সেরকম করে সব না হলে; আর মন খারাপ হয় কেউ অন্যায় আচরণ করলে। অন্যায় আচরণ করলে আমি খুব করে হিসেব মেলানোর চেষ্টা করি, কেন এমন করল? তাহলে কি আমার কোন ভুল ছিল? আমি এই কাজটা এভাবে না করে ওভাবে করলে কি ও আর অমন করত না? তারপর যদি বুঝি যে আমারই দোষ ছিল, তখন মনে হয়, আচ্ছা, আমি না হয় দোষ করেছিই, সে কেন আরো একটু উদার হয়ে দেখতে পারল না? সে কেন ক্ষমা করে দিল না? আমার সাথে ওর হৃদ্যতার উছিলায় কেন আমার এই দোষটা উপেক্ষা করতে পারল না? তবে কি ও আমাকে ততটা পছন্দ করে না, যতটা করে ওর নিজের ইগোকে?
আর যদি আমার কোন দোষ না থাকে, তখন রীতিমত বিমর্ষ হয়ে পড়ি, মানুষ এত স্বার্থপর কেন? এত ইগোনির্ভর কেন? এইভাবে কেন দেখল ঘটনাটাকে, কেন আমি যেভাবে দেখেছি সেভাবে দেখল না? আচ্ছা, ও কি তাহলে সবসময় সবকিছুকে এভাবেই দেখে? ওর পুরনো কাজগুলোও কি তাই মিন করে? তাহলে ত ও আমার মত না। নাকি ওর আত্মসম্মানবোধ প্রচন্ড বেশি, অথবা ইনসিকিউরিটি এত বেশি, যে তার চাওয়া অনুযায়ী কিছু না হলেই চোখ বুজে ঢাল তলোয়ার নিয়ে নিজেকে রক্ষা করতে লেগে যায় - আর কাকে কী দিয়ে আঘাত করল সেটা দেখতে পায়না?
আচ্ছা, সে যে অন্যায় করল, সেটা কি সে কোনদিন বুঝতে পারবে? আমি কি ধৈর্য ধরব, না কি এই দন্ডেই তার সাথে সম্পর্ক শেষ করে দিব? আমি কি মাফ করে দিব, না রাগ ধরে বসে থাকব? মাফ করে দিয়ে পুরো স্বাভাবিক হয়ে গেলে ও ত বুঝতেই পারবে না যে সে অন্যায় করেছিল। রাগ সারাজীবন ধরে রাখব? আল্লাহ রাগ হবে যে! আচ্ছা, এখন ভুলে যাই, পরে মনে করিয়ে দেব। কিন্তু আমি ত ভুলতে পারছি না। বুকের ভেতরে খচখচ করে লাগছে। (আচ্ছা, ও কেন এমন করল? ও কি এমনই? ও কি আমাকে পছন্দ করে না? ও কি বোঝেনা যে এটা অন্যায়?) তার চেয়ে এখন মন খারাপ করেই থাকি, বিষন্নতার আবরণে নিজেকে ঢেকে রাখলে এই মুহূর্তে আর কোন কিছুর মুখোমুখি হতে হবে না।
একটু ঠিক হওয়ার পর...
ও আমাকে এত কষ্ট দিল? আমিও বোকা, আমি ভুল মানুষের থেকে ভুল আশা করেছিলাম, দোষ আমারই। আমার সত্যিকারের শুভাকাঙ্ক্ষী যারা আছে, তাদের প্রতি এখন থেকে আরো মনোযোগী হব। তাদেরকেই আত্মার সাথে বেঁধে রাখার চেষ্টা করব, যাতে কখনও কষ্ট পেতে না হয়।
এভাবেই আমি বিলিয়ার্ড বলের মত এক পকেট থেকে আরেক পকেটে মুখ গোঁজার চেষ্টা করে যাব। এই জনের ব্যবহারে দুঃখ পেলে অন্যজনকে আরো বেশি করে আঁকড়ে ধরব, তার প্রতি অতি দয়ার্দ্র হয়ে যাব, যাতে সে আমাকে ভুলেও কষ্ট না দেয়। বন্ধুরা কষ্ট দিলে পরিবারে ফিরে যাব, পরিবারে কষ্ট পেলে বন্ধুদের কাছে। আদর, ভালবাসা, সম্মান পাওয়ার জন্য প্রায়োরিটি ওলট পালট করে দিয়ে যার যা প্রাপ্য তা না দিয়ে যে ভালবাসবে তার জন্য সব উজাড় করে দেব, যতদিন ভালবাসবে, কেবল ততদিনই।
অন্তঃসারশূন্যতার এই বিরাট ফাঁকি থেকে কবে বের হতে পারব?
আর যদি আমার কোন দোষ না থাকে, তখন রীতিমত বিমর্ষ হয়ে পড়ি, মানুষ এত স্বার্থপর কেন? এত ইগোনির্ভর কেন? এইভাবে কেন দেখল ঘটনাটাকে, কেন আমি যেভাবে দেখেছি সেভাবে দেখল না? আচ্ছা, ও কি তাহলে সবসময় সবকিছুকে এভাবেই দেখে? ওর পুরনো কাজগুলোও কি তাই মিন করে? তাহলে ত ও আমার মত না। নাকি ওর আত্মসম্মানবোধ প্রচন্ড বেশি, অথবা ইনসিকিউরিটি এত বেশি, যে তার চাওয়া অনুযায়ী কিছু না হলেই চোখ বুজে ঢাল তলোয়ার নিয়ে নিজেকে রক্ষা করতে লেগে যায় - আর কাকে কী দিয়ে আঘাত করল সেটা দেখতে পায়না?
আচ্ছা, সে যে অন্যায় করল, সেটা কি সে কোনদিন বুঝতে পারবে? আমি কি ধৈর্য ধরব, না কি এই দন্ডেই তার সাথে সম্পর্ক শেষ করে দিব? আমি কি মাফ করে দিব, না রাগ ধরে বসে থাকব? মাফ করে দিয়ে পুরো স্বাভাবিক হয়ে গেলে ও ত বুঝতেই পারবে না যে সে অন্যায় করেছিল। রাগ সারাজীবন ধরে রাখব? আল্লাহ রাগ হবে যে! আচ্ছা, এখন ভুলে যাই, পরে মনে করিয়ে দেব। কিন্তু আমি ত ভুলতে পারছি না। বুকের ভেতরে খচখচ করে লাগছে। (আচ্ছা, ও কেন এমন করল? ও কি এমনই? ও কি আমাকে পছন্দ করে না? ও কি বোঝেনা যে এটা অন্যায়?) তার চেয়ে এখন মন খারাপ করেই থাকি, বিষন্নতার আবরণে নিজেকে ঢেকে রাখলে এই মুহূর্তে আর কোন কিছুর মুখোমুখি হতে হবে না।
একটু ঠিক হওয়ার পর...
ও আমাকে এত কষ্ট দিল? আমিও বোকা, আমি ভুল মানুষের থেকে ভুল আশা করেছিলাম, দোষ আমারই। আমার সত্যিকারের শুভাকাঙ্ক্ষী যারা আছে, তাদের প্রতি এখন থেকে আরো মনোযোগী হব। তাদেরকেই আত্মার সাথে বেঁধে রাখার চেষ্টা করব, যাতে কখনও কষ্ট পেতে না হয়।
এভাবেই আমি বিলিয়ার্ড বলের মত এক পকেট থেকে আরেক পকেটে মুখ গোঁজার চেষ্টা করে যাব। এই জনের ব্যবহারে দুঃখ পেলে অন্যজনকে আরো বেশি করে আঁকড়ে ধরব, তার প্রতি অতি দয়ার্দ্র হয়ে যাব, যাতে সে আমাকে ভুলেও কষ্ট না দেয়। বন্ধুরা কষ্ট দিলে পরিবারে ফিরে যাব, পরিবারে কষ্ট পেলে বন্ধুদের কাছে। আদর, ভালবাসা, সম্মান পাওয়ার জন্য প্রায়োরিটি ওলট পালট করে দিয়ে যার যা প্রাপ্য তা না দিয়ে যে ভালবাসবে তার জন্য সব উজাড় করে দেব, যতদিন ভালবাসবে, কেবল ততদিনই।
অন্তঃসারশূন্যতার এই বিরাট ফাঁকি থেকে কবে বের হতে পারব?