তাড়াহুড়া করে কাজ করছে তুহিন, এসাইনমেন্ট জমা দেয়ার আর এক ঘন্টা বাকি, কোনমতে শেষ করে দৌড়ে প্রিন্টআউট নিয়ে জমা দিয়ে আসল সময় শেষ হওয়ার এক মিনিট পরে। জমা দেয়ার সময় টিচারের মুখের দিকে খুটিয়ে খুটিয়ে দেখল। সে জানে টিচার কি ভাবছে, "এই অলস অকর্ম্মন্য ছেলেটাকে দিয়ে কিচ্ছু হবেনা! পড়াশুনা ভাল পারলে কী হবে, অকর্মার ধাড়ি। আমার কাছে রেকমেন্ডেশন লেটার চাইতে আসলে আচ্ছাসে একচোট নিব"
তুহিনের মাথায় কেবলই ঘুরতে লাগল, আমি এত অলস? এই অলসতার জন্য জীবনে কিছুই করতে পারলাম না। কত ভাল ভাল কথা ভাবি, এই করব, সেই করব, শেষ পর্যন্ত কোনটাই করিনা। কারণ আমি আলসেমি করেই ত কূল পাইনা। আমার আলসেমি তে বাবা মাও বিরক্ত। ঐ যে সেদিন কী কী বলল! আমাকে দিয়ে কিচ্ছু হবেনা! আমার বন্ধুরা ভাল ভাল জব করবে, ভালভাবে সেটল হবে, আমার কিছুই হবে না। আমি কোনকাজই ভাল করে পারিনা। একটা এসাইনমেন্ট, সেটাও সময় নিয়ে ভাল করে শেষ করলাম না। কেন? কেন এমন করি?
এই ধরণের ভাবনাগুলো আমাদের সবার মাথায়ই খেলা করে। ক্রিটিক হচ্ছে মনের একটা দিক, যা সবসময় আপনাকে খুঁতগুলো চোখে আঙুল দিয়ে দেখাতে থাকবে, একটা খুঁতকে জেনারালাইজ করে আপনার পুরো চরিত্রের উপর একটা খারাপ মন্তব্য করবে, আপনি যেহেতু মন থেকেই এই ভাবনাটা আসছে, তাই অবচেতন মনে পুরোটুকু বিশ্বাস করে বসে থাকবেন। এখানেই শেষ না, একটা জেনারেল কমেন্ট করার পর সেই কমেন্ট এর উপর ভিত্তি করে আপনি আপনার জীবনের বাকি ব্যর্থতাগুলি কে জোড়া লাগাতে থাকবেন। পুরো ব্যাপারটা এত স্বাভাবিক ভাবে ঘটবে, আপনি টেরও পাবেন না, এই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে আপনার আত্মবিশ্বাসে আরো একটু ধ্বস নেমেছে।
সেল্ফ ক্রিটিক কিন্তু নতুন কিছু না। আমাদের প্রত্যেকের মনে একটা কণ্ঠ আমাদের নিচে টেনে ধরতে চায় সবসময়। যারা আত্মবিশ্বাসী, তারা সচেতনভাবে এই কণ্ঠটাকে চিনতে পারে, তারপর তার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে জিজ্ঞাসা করে, এই বক্তব্যের সারবত্তা কতটুকু। ক্রিটিক কে চিনতে পারা তাই সেল্ফ এস্টিম গড়ে তোলার প্রথম ধাপ।
সেল্ফ ক্রিটিক চিনতে পারার একটা ছোট টিপ:
আপনার এই মুহূর্তে নিজের সম্পর্কে কেমন লাগছে ভাবুন। কোন একটা বিষয় নিয়ে কি লজ্জিত, কুণ্ঠিত? কী সেই বিষয়? কেন এই মুহূর্তে নিজেকে নিয়ে খারাপ লাগছে? চিন্তা করুন। দেখবেন মনের ভেতর একটা কন্ঠস্বর চিনতে পারবেন, যে কিনা আপনার ব্যর্থতা, দোষ এগুলো দেখিয়ে দিচ্ছে বারবার। তার কথাগুলো অবচেতন মনে না শুনে সচেতন ভাবে শুনুন কী বলে। যত শুনবেন, তত বুঝতে পারবেন সেল্ফ ক্রিটিক নামক ভদ্রলোকের অস্তিত্ব।
আমি বলছিনা, সেল্ফ ক্রিটিক খারাপ, একে পুরোপুরি ওভারলুক করতে হবে। সেল্ফ এস্টিম গড়ে তোলার প্রথম ধাপ 'ক্রিটিক' মহাশয় কে চিনতে পারা। এটা একটা মেন্টাল এক্সারসাইজ, চেষ্টা করে দেখুন।
তুহিনের মাথায় কেবলই ঘুরতে লাগল, আমি এত অলস? এই অলসতার জন্য জীবনে কিছুই করতে পারলাম না। কত ভাল ভাল কথা ভাবি, এই করব, সেই করব, শেষ পর্যন্ত কোনটাই করিনা। কারণ আমি আলসেমি করেই ত কূল পাইনা। আমার আলসেমি তে বাবা মাও বিরক্ত। ঐ যে সেদিন কী কী বলল! আমাকে দিয়ে কিচ্ছু হবেনা! আমার বন্ধুরা ভাল ভাল জব করবে, ভালভাবে সেটল হবে, আমার কিছুই হবে না। আমি কোনকাজই ভাল করে পারিনা। একটা এসাইনমেন্ট, সেটাও সময় নিয়ে ভাল করে শেষ করলাম না। কেন? কেন এমন করি?
এই ধরণের ভাবনাগুলো আমাদের সবার মাথায়ই খেলা করে। ক্রিটিক হচ্ছে মনের একটা দিক, যা সবসময় আপনাকে খুঁতগুলো চোখে আঙুল দিয়ে দেখাতে থাকবে, একটা খুঁতকে জেনারালাইজ করে আপনার পুরো চরিত্রের উপর একটা খারাপ মন্তব্য করবে, আপনি যেহেতু মন থেকেই এই ভাবনাটা আসছে, তাই অবচেতন মনে পুরোটুকু বিশ্বাস করে বসে থাকবেন। এখানেই শেষ না, একটা জেনারেল কমেন্ট করার পর সেই কমেন্ট এর উপর ভিত্তি করে আপনি আপনার জীবনের বাকি ব্যর্থতাগুলি কে জোড়া লাগাতে থাকবেন। পুরো ব্যাপারটা এত স্বাভাবিক ভাবে ঘটবে, আপনি টেরও পাবেন না, এই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে আপনার আত্মবিশ্বাসে আরো একটু ধ্বস নেমেছে।
সেল্ফ ক্রিটিক কিন্তু নতুন কিছু না। আমাদের প্রত্যেকের মনে একটা কণ্ঠ আমাদের নিচে টেনে ধরতে চায় সবসময়। যারা আত্মবিশ্বাসী, তারা সচেতনভাবে এই কণ্ঠটাকে চিনতে পারে, তারপর তার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে জিজ্ঞাসা করে, এই বক্তব্যের সারবত্তা কতটুকু। ক্রিটিক কে চিনতে পারা তাই সেল্ফ এস্টিম গড়ে তোলার প্রথম ধাপ।
সেল্ফ ক্রিটিক চিনতে পারার একটা ছোট টিপ:
আপনার এই মুহূর্তে নিজের সম্পর্কে কেমন লাগছে ভাবুন। কোন একটা বিষয় নিয়ে কি লজ্জিত, কুণ্ঠিত? কী সেই বিষয়? কেন এই মুহূর্তে নিজেকে নিয়ে খারাপ লাগছে? চিন্তা করুন। দেখবেন মনের ভেতর একটা কন্ঠস্বর চিনতে পারবেন, যে কিনা আপনার ব্যর্থতা, দোষ এগুলো দেখিয়ে দিচ্ছে বারবার। তার কথাগুলো অবচেতন মনে না শুনে সচেতন ভাবে শুনুন কী বলে। যত শুনবেন, তত বুঝতে পারবেন সেল্ফ ক্রিটিক নামক ভদ্রলোকের অস্তিত্ব।
আমি বলছিনা, সেল্ফ ক্রিটিক খারাপ, একে পুরোপুরি ওভারলুক করতে হবে। সেল্ফ এস্টিম গড়ে তোলার প্রথম ধাপ 'ক্রিটিক' মহাশয় কে চিনতে পারা। এটা একটা মেন্টাল এক্সারসাইজ, চেষ্টা করে দেখুন।
No comments:
Post a Comment